বিনা দাওয়াতে ৩৭৮ টি বিয়ে খেয়ে বিশ্ব রেকর্ড করলেন ইডেন কলেজের দুই ছাত্রী!

বিনা দাওয়াতে ৩৭৮ টি বিয়ে খেয়ে এ কি করলেন ইডেন কলেজের দুই ছাত্রী!
Loading...

দীর্ঘ দিন পরে পাঠকের কলামে আপনাদের কে আবারো সাদর আমন্ত্রণ জানাই। আপনাদের অনুপ্রেরণা সব সময় আমাদের চলার সহায়ক। প্রতিনিয়ত আমরা পাঠকের থেকে অগনিত লেখা পেয়ে থাকি, আমরা সর্বদা চেষ্টা করি যাচাই বাচাই শেষে সেগুলো প্রচার করার। আশা করি আমাদের সেই ধারাবাহিকতা আগামীতেও অব্যাহত থাকবে।

সময়ের স্বল্পতার অভাবে বেশ কিছু দিন ধরে আমরা পাঠকের কোন লেখা আমাদের সাইটে প্রচার করতে পারিনি, এইজন্য আমরা আন্তরিক ভাবে দুখঃ প্রকাশ করছি। আমাদের কাছে এই কয়েকদিনে প্রায় তিনশতাধিক অধিক লেখা জমা পড়ে আছে। খুব দ্রুত আমরা সেগুলো যাচাই বাচাই শেষে আপনাদের সামনে তুলে ধরবো।

আজকের লেখাটি আমাদের কাছে পাঠিয়েছেন ধানমন্ডি থেকে মারুফ, ঘটনাটি বেশ হাস্যকর। এমন ঘটনা ঘটানোর জন্য এই আধুনিক যুগেও কোন মানুষ আছে সেটা ভাবতেই অবাক লাগে, আর এই ঘটনার কেন্দ্রবিন্দুতে যদি কোন মেয়ে হয় তাহলে তো কোন কথাই থাকে না। আর সেটা যদি হয় ইডেন কলেজের কোন মেয়ে, তাহলে তো বিষয়টি একটু অন্যমাত্রা পায়, হ্যাঁ এবার মারুফের পাঠানো মুল ঘটনাটি আপনাদের সামনে তুলে ধরি।

গত সোমবার ধানমন্ডি কড়াই গোস্ত রেস্তোরাঁয় মারুফের বড় বোনের বিয়ের অনুষ্ঠান চলছিল, অনুষ্ঠান টি ছিলো বেশ সল্প পরিসরে। তাই অতিথি স্বাভাবিকভাবেই কম থাকার কথা। আমন্ত্রিত অতিথিদের অভ্যর্থনা জানাচ্ছিলেন মারুফ ও   তার দুই বন্ধু মিলে। হঠাৎ দুইজন সুন্দরী মেয়ে বিয়ের অনুষ্ঠানে এসে উপস্থিত। বরপক্ষ তখনো অনুষ্ঠানে এসে হাজির হয়নি, আর বরপক্ষের প্রায় সবাই কনেপক্ষের পুর্বপরিচিত, তাই মারুফ একটু আগ্রহ সহকারে এই আগন্তুক মেয়ে দুই জনকে তাদের পরিচয় জিজ্ঞেস করতে সংকোচ বোধ করছিলো, তারপরও ভিতরে বসতে দিয়ে তাদের পরিচয় জিজ্ঞেস করার পরে মেয়ে দুইটি কোন সন্তোষজনক জবাব দিতে পারিনি। প্রথমে বলেছিলো কনের পুর্ব পরিচিত আবার পরে বলে বর পক্ষের লোক।

মারুফের বেশ সন্দেহ হয়, অবশেষে সত্যতা খুজে পায় মারুফ। এই সুন্দরী মেয়ে দুইটি কোন আমন্ত্রিত অতিথি নয়, এরা হল বিনা দাওয়াতে অনুষ্ঠানে এসে ফাও খাওয়া দুই খাদক। মারুফ এবং তার বন্ধুরা মিলে মেয়ে দুইটির ছবি তুলতে চাইলে তারা বেশ কান্নাকাটি শুরু করে এবং ছবি তুলে ফেসবুকে না দেবার জন্য বেশ অনুরোধ করে। মারুফ এবং তার বন্ধুরা মেয়ে দুটির অনুরোধ রক্ষা করে কিন্তু শর্ত একটাই এভাবে বিনা দাওয়াতে কতগুলো বিয়েতে খেয়েছে সেগুলো বলতে হবে। মেয়ে দুইজন জানাই এরা পাশ্ববর্তী ইডেন কলেজের এবং এভাবে ঢাকার বিভিন্ন রেস্টুরেন্টে প্রায় তিন বছর যাবৎ ৩৭৮ টি বিয়েতে খেয়েছে। মারুফদের অনুষ্ঠানে খেতে পারলেই ৩৭৯ হবে, এই মেয়ে দুইজন আরো জানয় তাদের আর্থিক কিংবা অন্ যকোন সমস্যা নেই। এটা তাদের একপ্রকার নেশা। অনেকেই অনেক কিছু করে রেকর্ড করে তাই তাদের ইচ্ছে প্রায় 1000 বিয়েতে ফ্রি খেয়ে রেকর্ড করা।

এই দুই মেয়ের ঘটনা অবশ্য পুরো অনুষ্ঠান জুড়ে ছড়িয়ে পড়ে, যেহেতু এসেই পড়েছে সেহেতু তাদেরকে বেশ আপ্যায়ন করা হয়।

বিশ্লেষণঃ মারুফের পাঠানো এই ঘটনাটি এবার বিশ্লেষণ করা যাক,কোন মহিলা তার শাশুড়ি কে ব্যাপক সেবাযত্ন করেন তারপর ও ওই শাশুড়ি সবার অগোচরে পাতিল থেকে নিয়ে খাই,বিষয়টি মহিলা তার স্বামীকে বললেন যে আম্মা চুরি করে পাতিল থেকে নিয়ে খাই তখন সেই ভদ্রলোক বললেন তুমি হয়তো আম্মাকে ঠিকমতো খেতে দাও না,মহিলা বললেন আমি যথেষ্ট করি,কিন্তু উনার স্বামী বিশ্বাস করলেন না,একদিন ভদ্রলোক নিজেই তার মা কে সাথে রেখে খেতে দিলেন,উনার আম্মা বলেন যথেষ্ট হয়েছে আর খেতে পারছিনা,কিন্তু সবাই ঘুমিয়ে গেলে সেই বৃদ্ধ মহিলা আবারো পাতিল থেকে কিছু নিয়ে খেলো.

কিছু কিছু মানুষের কোন অভাব নেই তারপরও হাতটান অর্থাৎ চুরির অভ্যাস আছে,বাজারে কিংবা কোন মেলায় গেলে কিছু চুরি করার জন্য আঁকুপাঁকু করে.

এই দুটি ঘটনা এবং ইডেন কলেজের এই মেয়েগুলোর ঘটনা প্রায় একই অর্থাৎ এগুলো এক প্রকার মানসিক রোগ.

কারও যদি এমন কোন সমস্যা থাকে তাহলে অবশ্যই চিকিৎসকের শরনাপন্ন হউন

প্রতিদিন নতুন নতুন চাকুরীর ও পড়ালেখার খবর পেতে লাইক দিন আমাদের ফেসবুক পেইজে!

অন্যরা যা পড়ছেন:

পোষ্টটি লিখেছেন: বিশ্ব বিবেক

বিশ্ব বিবেক এই ব্লগে 3317 টি পোষ্ট লিখেছেন .

Loading...
পোস্টটি ভাল লাগলে লাইক দিন