আর বায়োমেট্রিক পদ্বতিতে আংগুলের ছাপে সিম নিবন্ধন করা লাগবে না

Loading...

আংগুলের ছাপে অনেকেই সিম নিবন্ধন করতে রাজি নন,অনেকেই বলাবলি করছেন দরকার হলে সিম ব্যাবহার করবেন না কিন্তু বায়োমেট্রিক পদ্বতিতে সিম নিবন্ধন করবেন না,প্রতিনিয়ত এই বিষয় নিয়ে আমরা অনেক মেসেজ পেয়ে থাকি তাই আজকের এই কলাম টি তুলে ধরলাম.

মুল বিষয়ে যাবার আগে আপনাদেরকে পুর্বের কিছু বিষয় অবশ্যই জানতে হবে তাই এই কলামটি দুটি ভাগে বিভক্ত করা হলো,প্রথম ভাগে পুর্বের বিষয় এবং দ্বিতীয় ভাগে আজকের মুল বিষয় থাকছে.

প্রথম ভাগঃ হাজার কোটি টাকা ট্যাক্স ফাঁকি দিয়ে যারা ব্যবসা করে যায় তাদের কাছে আপামর জনসাধারনের ফিঙ্গারপ্রিন্ট তুলে দেওয়ার যৌক্তিকতা নিয়ে ভাবলাম। বিশ্বাসের জায়গাতে জুয়া চলবেনা। এয়ারটেলের ডাটাবেস হইতে সব আঙ্গুলের ছাপ ভারতীয় ইন্টেলিজেন্সের কাছে যাবেনা তার গ্যারান্টি কি? কিংবা জিপির হাত ধরে ইউরোপ, আমেরিকা? ভাবুন, প্যারিস হামলার পর অবিস্ফোরিত বোমায় কোন বাঙ্গালীর ফিঙ্গারপ্রিন্ট পাওয়া গেল। ভাবুন, ফিঙ্গারপ্রিন্ট এর বদৌলতে কোন আন্তর্জাতিক জংগী সংগঠনের সাথে বাংলাদেশের একটা মেলবন্ধন কোন বিদেশী পত্রিকার হেডলাইন হল…ফ্যান্টাসি মনে হচ্ছে? বাদ দেন।

খালি ভাবুন, মিথ্যা আসামীকে বাঁচানোর জন্য সত্য প্রমাণ খুঁজতে গিয়ে উকিলগণের চুল ছিঁড়ার মুহূর্তে বাদী পক্ষের উকিল একটা ফিঙ্গারপ্রিন্ট নিয়ে আসলেন (ক্রয় মারফত); ভাবুন, যে তল্লাটে মিথ্যা মামলা দায়ের করে হোক অথবা সত্য মামলাতেই হোক যেখানে মিথ্যা আসামী ধরে জেলে ভরার একটা তুমুল কম্পিটিশন সেখানে কিছু ব্যবসা প্রতিষ্ঠান আঙ্গুলের ছাপের ডাটাবেস নিয়ে বসে আছে… ভাবতে বিরক্ত লাগছে?-বাদ দেন।

চলুন ফ্যাক্ট দেখি কয়েকটা… মিডিয়া মারফত আমরা ইতিমধ্যেই জানি বায়োমেট্রিক সিম নিবন্ধনের ইতিহাসে বাংলাদেশ পৃথিবীতে দ্বিতীয় দেশ হিসাবে অগ্রণী ভূমিকা রাখতে যাচ্ছে! রাষ্ট্রীয়ভাবে এধরনের একটা ভুল সিদ্ধান্ত কোন দেশ প্রথম নিয়েছিল তা জানতে ইচ্ছা হয়? আমারও ইচ্ছা হল, ঘেঁটে চমকপ্রদ তথ্য পেলাম। এই দুর্ঘটনা প্রথম ঘটায় কোন দেশ- অনুমান করেন তো দেখি কোন মাথামোটারা এই কার্য সাধন করেছিল?

আরও পড়ুনঃ বাংলাদেশ – ভারত ম্যাচের আসল রহস্য ফাসঃ নিষিদ্ধ হবেন ৩ জন

সমঝদার মানুষের জন্য ইঙ্গিতই যথেষ্ঠ, তবুও বললাম, ২০১৩ তে পাকিস্তান এই ঘটনা ঘটিয়ে বিশ্বের ইতিহাসে প্রথম ডিজিটাল বোকাচোদা হিসাবে আত্মপ্রকাশ করে। বোঝার ব্যাপার একটাই, ব্যক্তি হিসাবে না ভেবে রাষ্ট্রীয়ভাবে ভাবার চেষ্টা করুন। সরকারি ডাটাবেসের জন্য ফিঙ্গারপ্রিন্ট নেওয়া আর কোন বেনিয়া মাল্টিন্যাশনাল কর্পোরেটের কাছে ফিঙ্গারপ্রিন্ট জমা দেওয়ার মধ্যে ফারাকটুকু বুঝতে পারলেই খেল খতম। সরকারের কাছে একটাই আরজি, অপরাধ দমনে ফিঙ্গারপ্রিন্ট অবশ্যই জরুরী বিষয়। প্রয়োজনে ন্যাশনাল আইডি রিনিউইয়াল হিসাবে সরকারি উদ্যোগে ফিঙ্গারপ্রিন্ট জমা নেওয়া হোক। অপরাধ নিধন চাইলে অপরাধীর ভেরিফিকেশনের দায়িত্বটা রাষ্ট্রের হাতেই বর্তাক।

ন্যাশনাল আইডি দিয়ে সিম রেজিস্ট্রেশন হলে তো প্রাথমিক শনাক্তকরণ হয়েই যায়। মোবাইল মাধ্যমে কোন ক্রাইম হলে তার সাথে ফিঙ্গারপ্রিন্টের কি সম্পর্ক? ভয়েস কলে কি অপরাধী ফিঙ্গারপ্রিন্ট রাইখা আসবে কি? কথা সহজ, কোটি টাকা ট্যাক্স ফাঁকি দিয়া চলতে থাকা কিছু বেনিয়া মাল্টিন্যাশনাল ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানকে এই ভয়ানক ডাটাবেস করতে দিয়ে রাষ্ট্রের এবং তার নাগরিকদের মাথার উপর ছড়ি ঘুরাতে দেওয়া যাবেনা।

ফিঙ্গারপ্রিন্ট একজন মানুষের চূড়ান্ত লেভেলের প্রাইভেট, এ জিনিস লিফলেট বানাইয়া বেচার জন্য কারো হাতে তুলে দেওয়া হয়তো ঠিক হবে না, অনেকেই রাজি না।

**** আপনাদের সামনে আমি ছোট্ট একটি উদাহরণ উপস্থাপন করছি,বিদেশে যাবার জন্য অনেকেই ঢাকায় আসেন এবং কিছু প্রয়োজনে তাদের পাসপোর্ট কিংবা ভোটার আইডি কার্ডের ফটোকপি অথবা স্কানিং করতে হয়,এই ডকুমেন্ট গুলো কিন্তু সেখানে অনেক সময় থেকে যাই.অনলাইনে অনেক কাজেই এসব ডকুমেন্টস এর প্রয়োজন হয়,অনেকেই এসব ডকুমেন্টস সংগ্রহ করে ফ্রিল্যান্সিং বিভিন্ন সাইটে আইডি খুলে ব্যাবসা করে. এসব ডকুমেন্টস দিয়ে কেউ যদি কোন অঘটন ঘটায় তার দায়ভার কিন্তু অপরাধী কে নিতে হবে না,এই দায়ভার থাকে ব্যাক্তির উপর,আপনার একটি ডকুমেন্টস দিয়ে কেউ আমেরিকা থেকে একটি পেওনিয়ার মাস্টারকার্ড নিয়ে আসলো এবার এই কার্ড দিয়ে অবৈধ লেনদেন করলো,তাহলে দায়ভার কিন্তু আপনারই.আশা করি বিষয়টি হয়তো বুঝতে পারছেন

**** বিঃদ্রঃ সরকারের সিদ্ধান্ত আমাদের কাছে সবসময় চিরধার্য,আমরা এটা অবশ্যই মানবো তবে এই বিষয়টি নিয়ে আরো একটু ভাবা উচিত ছিলো বলে অনেকেই মনে করেন. আমি আবারো বলছি আমরা রাষ্ট্রের নাগরিক আমাদের ডাটাবেজ রাষ্ট্রের কাছেই থাকুক. আমার ছোট মাথায় যেটা আসলো আমি সেটাই আপনাদের সামনে তুলে ধরলাম. তবে এই সিদ্ধান্ত অব্যহত থাকলে নিদিষ্ট সময়ের ভিতরে সবাই বায়োমেট্রিক পদ্ধতিতে রেজিস্ট্রেশন সম্পূর্ণ করে ফেলবেন কারণ রাষ্ট্র অবশ্যই আমাদের ক্ষতি চাইবে না.

হাইকোর্টের রুল এবং মাননীয় মন্ত্রী মহাদয়ের বক্তব্যঃ
বায়োমেট্রিক পদ্ধতিতে (আঙুলের ছাপ) সিম নিবন্ধন কার্যক্রমের বিরুদ্ধে হাইকোর্টের দায়ের করা রুল কোনো প্রভাব ফেলবে না বলে জানিয়েছেন ডাক ও টেলিযোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিম। সচিবালয়ে ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত বাংলালিংক ও টেলিটকের এক চুক্তিস্বাক্ষর অনুষ্ঠানে এ কথা জানান টেলিযোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী। তারানা হালিম বলেন, ‘ বায়োমেট্রিক পদ্ধতিতে সিম নিবন্ধন কার্যক্রম যেভাবে চলছে, সেভাবেই চলবে।

৩০ এপ্রিলের মধ্যে সিম নিবন্ধন কার্যক্রম শেষ করতে হবে। অবৈধ ভিওআইপি ব্যবসায়ী, স্মাগলার, চাঁদাবাজ, সন্ত্রাসীসহ চিহ্নিত একটি স্বার্থান্বেষী মহল এ কার্যক্রমে বাধা দিচ্ছে। তাদের স্বার্থে বড় আঘাত এসেছে।’ তবে যত বাধাই আসুক, দেশের ও দেশের মানুষের নিরাপত্তার স্বার্থে এ কার্যক্রম শেষ করা হবে বলে জানিয়েছেন তারানা হালিম। টেলিযোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘এ ধরনের মামলার কোনো ভিত্তি আছে বলে আছে বলে আমরা মনে করি না। মামলা আমরা সঠিকভাবে মোকাবিলা করব।

এটা একটা রুল। এতে আমাদের কার্যক্রমে কোনো নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়নি। আমরা সঠিক সময়ে আদালতের কাছে কোনো অতিরিক্ত সময় না নিয়ে রুলের জবাব দেব।’ তিনি আরো বলেন, ‘আমি বিশ্বাস করি এ মামলার আমরা জিতব, ওরা পরাজিত হবে।’ বায়োমেট্রিক পদ্ধতিতে সিম নিবন্ধন কার্যক্রমে গ্রাহকদের কাছ থেকে টাকা নেওয়ার যে অভিযোগ উঠেছে সে বিষয়ে তারানা হালিম বলেন, ‘সিম নিবন্ধনে কোনো টাকা নেওয়ার কথা না। এ বিষয়ে অভিযান চলছে। যাদের বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযোগ পাওয়া যাবে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। যে ডিলার নিবন্ধনের সময় টাকা নেবে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’ বাংলালিংক ও টেলিটকের মধ্যে এ চুক্তির বিষয়ে তারানা হালিম জানান, বায়োমেট্রিক পদ্ধতিতে সিম নিবন্ধনের ডিভাইস টেলিটকের নেই।

এ চুক্তির মাধ্যমে টেলিটক বাংলালিংকের ডিভাইস ব্যবহার করে বায়োমেট্রিক পদ্ধতিতে নিবন্ধন কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারবে। এর আগে গত ১৩ মার্চ বায়োমেট্রিক পদ্ধতিতে মোবাইল ফোনের সিম নিবন্ধন কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না- তা জানতে রুল জারি করেন আদালত।

বায়োমেট্রিক পদ্বতিতে সিম নিবন্ধন কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না,এই মর্মে হাইকোর্টের জারিকৃত রুল টি দেখুন….. বায়োমেট্রিক পদ্ধতিতে (আঙুলের ছাপ) মোবাইল ফোনের সিম নিবন্ধন কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না- তা জানতে রুল জারি করেছেন আদালত।

বিচারপতি সৈয়দ মো. দস্তগীর হোসেন ও বিচারপতি এ কে এম শাহিদুল হকের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন। আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে স্বরাষ্ট্রসচিব, আইনসচিব, টেলিকম-সচিব, বাংলাদেশ টেলিকমিউনিকেশন রেগুলেটরি কমিশনের (বিটিআরসি) চেয়ারম্যান ও মহাপরিচালক এবং মোবাইল ফোন অপারেটর গ্রামীণফোন, রবি, বাংলালিংক, এয়ারটেল, সিটিসেল, টেলিটককে এর জবাব দিতে বলা হয়েছে।

গত ৯ মার্চ হাইকোর্টে এ-সংক্রান্ত রিট করেছিলেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী হুমায়ুন কবীর পল্লব। রিটকারীর পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার মুকতাদির রহমান গত বছরের ২১ অক্টোবর বায়োমেট্রিক পদ্ধতির পরীক্ষামূলক উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তিবিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়। পরে ১৬ ডিসেম্বর এর আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু হয়। ডাক ও টেলিযোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিমের ঘোষণা অনুযায়ী, আগামী এপ্রিল মাসের মধ্যে এই নিবন্ধন কার্যক্রম শেষ হওয়ার কথা রয়েছে।

আইনজীবীসহ নাগরিক সমাজের অনেকের মতে, বায়োমেট্রিক তথ্য সরকার নিতে পারে। এতে কোনো আপত্তি নেই। কিন্তু এখানে প্রাইভেট লিমিটেড কোম্পানির এ তথ্য নেওয়া বা আঙুলের ছাপ সংরক্ষণ করা বে-আইনি। এতে ব্যক্তিগত অধিকার ক্ষুণ্ণ হচ্ছে বলেও অভিযোগ নাগরিক সমাজের। পরে অবশ্য এ নিয়ে প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিম বলেছিলেন, মোবাইল ফোন অপারেটররা আঙুলের ছাপ সংরক্ষণ করবে না। নাগরিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এ তথ্য সরকারের কাছেই থাকবে।

সিম নিবন্ধনের সময় বাড়ানো সম্পর্কিত তথ্যঃ
সিমের সংখ্যা ১৩ কোটির উপরে। টার্গেট ৩০শে এপ্রিল। ডিসেম্বর থেকে ৪ মাসে নিবন্ধন হয়েছে ৪ কোটির বেশি। বাকি রয়েছে প্রায় ৯ কোটি। হাতে সময় রয়েছে ৪০ দিন। তথ্যের এ পরিসংখ্যানে স্পষ্ট মন্ত্রণালয়ের বেঁধে দেয়া সময়ে শেষ হচ্ছে না বহুল আলোচিত বায়োমেট্রিক পদ্ধতিতে সিম নিবন্ধন। তবে বিষয়টি নিয়ে মুখে কুলুপ এঁটেছেন মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা।

নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন নীরব। তারা চেয়ে আছেন মন্ত্রণালয়ের দিকে। ডাক ও টেলিযোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিম এ উদ্যোগ বাস্তবায়নে সবচেয়ে বেশি সোচ্চার। তিনি বারবার ৩০শে এপ্রিলের মধ্যে নিবন্ধনের কাজ শেষ করার তাগিদ দিচ্ছেন। বিষয়টি নিয়ে মোবাইল অপারেটররা অনেকটা নীরব। তবে মোবাইল অপারেটরদের সংগঠন এসোসিয়েশন অব মোবাইল টেলিকম অপারেটরস অব বাংলাদেশের (অ্যামটব)-এর সেক্রেটারি জেনারেল টিআইএম নুরুল কবির মানবজমিনকে জানিয়েছেন, মন্ত্রণালয়ের বেঁধে দেয়া সময়ে সিম নিবন্ধনের কাজ শেষ হচ্ছে না।

এ নিয়ে মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে পর্যালোচনা করা হচ্ছে। উদ্যোগের শতভাগ বাস্তবায়ন করতে সিম নিবন্ধনের সময় বাড়ানো হবে। তিনি বলেন, সিম নিবন্ধনে সরকারের সহযোগী হিসেবে কাজ করছে মোবাইল অপারেটররা। এরইমধ্যে এ খাতে তারা বিপুল অঙ্কের টাকা বিনিয়োগ করেছে। দেশের শীর্ষ মোবাইল অপারেটর গ্রামীণফোন জানিয়েছে এরইমধ্যে তারা ২ কোটি ৩২ লাখ বায়োমেট্রিক ভেরিফিকেশন পদ্ধতিতে পুনরায় নিবন্ধন প্রক্রিয়া শেষ করেছে।

এ প্রসঙ্গে প্রতিষ্ঠানটির চিফ কর্পোরেট অ্যাফেয়ার্স অফিসার মাহমুদ হোসেন বলেন, নিজে থেকেই পুনরায় নিবন্ধনের জন্য এগিয়ে আসায় আমি সম্মানিত গ্রাহকদের ধন্যবাদ জানাচ্ছি এবং তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। চ্যানেল পার্টনারগণও এই বিরাট উদ্যোগ বাস্তবায়নে খুবই ভালোভাবে সহায়তা করছেন। সারা দেশে গ্রামীণফোনের ৪৩ হাজার বায়োমেট্রিক পয়েন্ট থেকে পুনরায় নিবন্ধন করা যাচ্ছে। অন্যদিকে চলতি মাসের শুরুতে বাংলালিংক জানিয়েছে, ২০১৫ সালের ডিসেম্বরে বায়োমেট্রিক ভেরিফিকেশন চালু করার পর থেকে এখন পর্যন্ত বায়োমেট্রিক ভেরিফিকেশন এক কোটিরও বেশি ছাড়িয়েছে।

যা তাদের গ্রাহক সংখ্যার প্রায় ৩৫ ভাগ। এ প্রসঙ্গে বাংলালিংকের ম্যানেজিং ডিরেক্টর এবং সিইও এরিক অস্‌ বলেন, “এটা সত্যি যে, এই প্রক্রিয়াটি সম্পূর্ণ নতুন, তবে আমরা এটিকে আমাদের নতুন গ্রাহক বৃদ্ধি এবং পুরাতন গ্রাহকদের ধরে রাখার সুযোগ হিসেবে বিবেচনা করছি। আমরা সেই সব গ্রাহকদের ধন্যবাদ জানাই যারা স্বেচ্ছায় প্রথম ধাপেই বায়োমেট্রিক ভেরিফিকেশন করেছেন।

বাংলালিংক ইতিমধ্যে বিপুল পরিমাণ কর্মী এবং সিম বিক্রেতাদের বায়োমেট্রিক ভেরিফিকেশন প্রশিক্ষণ দিয়েছে। বাংলালিংকের হাজার হাজার প্রশিক্ষিত কর্মী এবং বিক্রেতারা বায়োমেট্রিক ভেরিফিকেশনের কাজ করে যাচ্ছেন। দ্রুত ভেরিফিকেশন শেষ করতে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বিভিন্ন মাধ্যমে অনেকগুলো ডিভাইসকে কাজে লাগানো হয়েছে। এদিকে বুধবার মোবাইল অপারেটরদের শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক শেষে ডাক ও টেলিযোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিম জানান, এখন পর্যন্ত প্রায় ৪০ শতাংশ সিম বায়োমেট্রিক পদ্ধতিতে নিবন্ধন ও ভেরিফিকেশন সম্পন্ন হয়েছে। আগামী ৩০শে এপ্রিল পর্যন্ত বায়োমেট্রিক পদ্ধতিতে সিমের নিবন্ধন চলবে। ভুয়া পরিচয়ে অথবা নিবন্ধন ছাড়া সিম কিনে নানা অপরাধে ব্যবহারের অভিযোগ বাড়তে থাকায় সমপ্রতি গ্রাহকদের তথ্য যাচাই ও সিম পুনঃনিবন্ধনের উদ্যোগ নেয়া হয়।

এরপর মোবাইল গ্রাহকদের সিমের তথ্য যাচাইয়ে জাতীয় পরিচয়পত্রের তথ্য ভাণ্ডার ব্যবহারের প্রক্রিয়া শুরু হয়। গত ১৬ই ডিসেম্বর সিম নিবন্ধনে বায়োমেট্রিক পদ্ধতি চালু হওয়ায় আঙুলের ছাপ না দিয়ে এখন আর নতুন সিম কেনা যাচ্ছে না। পাশাপাশি বায়োমেট্রিক পদ্ধতিতে পুরনো সিমের পুনঃনিবন্ধন চলছে।

দ্বিতীয় ভাগঃ আমি আগেই বলেছি প্রতিনিয়ত অনেকেই আমাদের কে ইনবক্সে মেসেজ এবং মেইল করেন,কোনভাবেই তারা সিম নিবন্ধন করতে চাইনা,অনেকেই আবার জোর দিয়ে বলছেন দরকার হলে মোবাইল ব্যাবহার করবেন না তবুও আংগুলের ছাপ দিবেন না,কেউ কেউ প্রশ্ন করেছেন আমরা যারা দেশের বাইরে আছি তারা কিভাবে সিম নিবন্ধন করবো,অনেকেই ভোটার আইডি কার্ড পাননি,উপজেলা নির্বাচন অফিসে সার্ভার কপি নিতে গেলে কেউ কেউ হয়রানির শিকার হচ্ছেন,যাহোক বিষয়টি নিয়ে একটু ঘোরতর ঝামেলা বলে অনেকেই মনে করছেন,যারা অতিজ্ঞানী কোনভাবেই সিম নিবন্ধন করতে চান না সেই সব জ্ঞানীদের চাহিদা মোতাবেক কিছু পরামর্শ দিলাম যদি পারেন তাহলে সিম ছাড়াই নাম্বার পাবেন খুব সহজেই.

গুগল প্লে স্টোর থেকে talku,teleme,dingdone এবং voxos সহ বেশকিছু সফটওয়্যার আছে.

আপনারা এখান থেকে যেকোন একটি সফটওয়্যার ডাউনলোড করুন তারপর আপনার পেপাল কিংবা মাস্টারকার্ডের মাধ্যমে দুই থেকে তিন ডলার দিয়ে এখান থেকে ভার্চুয়াল বিদেশী নাম্বার কিনে নিতে পারেন,এরপর আপনি দেশে কিংবা বিদেশে যেখানেই কল করেন না কেন এই নাম্বার দিয়ে কথা বলতে পারবেন তবে যাদের পেপাল কিংবা মাস্টারকার্ড নেই তারা বিভিন্ন সফটওয়্যার ডাউনলোড করে ক্রেডিট জমিয়ে বিদেশী নাম্বার কিনতে পারবেন.তবে অবশ্যই আপনার নেট কানেকশন থাকতে হবে এক্ষেত্রে ওয়াইফাই কিংবা পকেট রাউটার দিয়ে আপনি সিম ছাড়াই ভার্চুয়াল নাম্বার দিয়ে গোটা বিশ্বে স্বল্প খরচের যোগাযোগ করতে পারবেন.

তবে এটি হয়তো সবাই করতে পারবে না যারা পারবেন তারা স্মার্ট একথা স্বীকার করতেই হবে,আর স্মাটদের জন্য আজকের এই ট্রিকস
সিম সিম নিবন্ধন

অন্যরা এখন যা পড়ছেনঃ

পোষ্টটি লিখেছেন: বিশ্ব বিবেক

বিশ্ব বিবেক এই ব্লগে 3317 টি পোষ্ট লিখেছেন .

Loading...
পোস্টটি ভাল লাগলে লাইক দিন