বৃহস্পতিবার , ৩ সেপ্টেম্বর ২০১৫
হোম » অন্যান্য » অনেক ছেলেই কথা বলার সময় মেয়েদের বুকের দিকে তাকায় কেন?
অনেক ছেলেই কথা বলার সময় মেয়েদের বুকের দিকে তাকায় কেন?

অনেক ছেলেই কথা বলার সময় মেয়েদের বুকের দিকে তাকায় কেন?

এমন অনেক ছেলেই আছে যারা কথা বলার সময়ে মেয়েদের বুকের দিকে তাকিয়ে থাকে। এটি কেন করে তারা?

মূলত এটা ছেলেদের দৃষ্টিভঙ্গির সমস্যা। তারা ছোটবেলা থেকেই শিক্ষার অভাবের কারণে কাজটি করে থাকে। বাহিরের দেশে এমনটা একেবারেই হয় না। কারণ তারা নারী পুরুষকে আলাদাভাবে ট্রিট করার সময়ই পায় না। এ কারণে এমন অসাধু দৃষ্টিভঙ্গিও তারা দেয় না। তাছাড়া এমনই যদি হয় যে নারীদের ঐসব স্থান ছেলেদের আকৃষ্ট করার মত। তাহলে ছেলেদের দেহের কিছু অংশেও নারীদের দৃষ্টি দেয়া উচিত বিশেষ করে ছেলেরা নারীদের দেখে যখন শিহরিত হয়ে ওঠে। কিন্তু নারীরা তা করেন না, তারা বিষয়টিকে দেখেও দেখেন না। কারণ তাদের রুচি কতিপয় অসুস্থ মস্তিষ্কের ছেলেদের মত নিকৃষ্ট নয়।

আর অবশ্যই খেয়াল করে দেখবেন সব ছেলেরা এমন নিকৃষ্ট দৃষ্টিভঙ্গির প্রমাণ দেন না। অনেক নারীরা বিভিন্নভাবে আকৃষ্ট করতে চাইলেও তারা তাদের চোখ সংবরণ করেন।

তাই বলা যায় এই বদ অভ্যাসটি কিছু অশিক্ষিত, রুচিহীন, হীনমন্যতাসম্পন্ন এবং নিকৃষ্ট দৃষ্টিভঙ্গির ছেলেদের মাঝেই দেখা যায়, যারা সমাজের কীট ছাড়া আর কিছুই না।

অন্যজনের মতে, আপনার কথা অনুসারে বিচার করতে গেলে সব ছেলেরাই অশিক্ষিত, রুচিহীন, হীনমন্য ও নিকৃষ্ট। কারণ, এমন কোন ছেলে পাওয়া যাবে না যার মেয়েদের প্রতি আকর্ষণ নেই। যত শিক্ষিত, ভদ্র, শালীন ছেলে হোক না কেন একটা সুন্দরী মেয়ের দিকে অন্তত একবার হলেও তাকাবে। ব্যাপারটা অনেকটা প্রাকৃতিক। স্রষ্টাই মেয়েদেরকে ছেলেদের জন্য আকর্ষনীয় করে বানিয়েছেন। যদি ছেলেদের দোষ দিতে হয় তাহলে সেই দোষ আগে স্রষ্টাকে দিতে হয়। আপনি কি তাহলে স্রষ্টাকে পরোক্ষভাবে দোষ দিচ্ছেন?

আর মেয়েদের ক্ষেত্রে বিষয়টা ছেলেদের বিপরীত। ছেলেদের প্রতি মেয়েদের কোন আকর্ষন থাকে না। হয়ত ভাল লাগতে পারে। কিন্তু ভাল লাগা আর আকর্ষিত হওয়া এক বিষয় না।

বাহিরের দেশ সম্পর্কে কতটুকু জানেন? আমাদের প্রতিবেশী দেশ ভারতে প্রতি মিনিটে ২ জন মেয়ে ধর্ষনের শিকার হচ্ছে। মেয়েরা রাতে একা বের হতে সাহস করে না। পাকিস্তানে ধর্ষনের সংখ্যা কমাতে মেয়েদের জিন্স পেন্টা পরা নিষিদ্ধ করেছে। আমেরিকাতে মেয়েরা সবচেয়ে বেশি টিজিং এর স্বীকার হয়। ব্রিটেনে টিজিং এবং ধর্ষন কমাতে হিজাব বৈধ করতে যাচ্ছে। ইরান, সৌদিতে পর্দা ব্যাতিত বের হলে টিজিং এবং ধর্ষনের স্বীকার হলে সে কোন আইনী সহয়তা পায় না। সে তুলনায় তো বাংলাদেশের অবস্থান অনেক ভাল।

আমি বলব রুচিহীন তো মেয়েরা যারা নিজের রূপ দিয়ে ছেলেদের আকৃষ্ট করতে চায়।

আর এক পাঠক উত্তরে লিখেছেন, মেয়েরা তাদের বুক যদি ওরনা দিয়ে ঢেকে রাখে তাহলে কোন ছেলের দৃষ্টি সেখানে যাবে না। মিষ্ট যদি ঢেকে না রাখা হয় তাহলে তাতে মাছি বসবে এবং ময়লা পরবেই। তেমনি একটি মেয়ে যদি না তার আভ্রু ঢেকে না রাখে ছেলেরা বাজে ইংগিত করবে, খারাপ দৃষ্টিতে তাকাবেই।

মূলত একটা পর্দাশীল বা শালীন পোশাক পরিহিত মেয়ের দিকে ছেলেরা কখোনো বাজে দৃষ্টিতে তাকায় না। উল্টো ঐ মেয়ের প্রতি শ্রদ্ধাশীল দৃষ্টিতে তাকায়।

অন্যদিকে, একটা অশালীন পোশাক পরিহিত মেয়েদের নানারকম বাজে পরিস্থিতির স্বীকার হতে হয়।

উচিৎ কথা বলতে গেলে, ছেলেদের কোন দোষ নাই। ছেলেরা সুযোগ পায় বলে সুযোগের অপব্যবহার করে। মেয়েরা নিজেদের অসতর্কতা, আবেগ এবং বেপরোয়া জীবন যাপনের কারনে প্রতিনিয়ত ব্লেকমেইল, ধর্ষন এবং নানা ধরনের প্রতারণার সম্মুখীন হতে হয়…।

সর্বশেষ কথা আছে, এটির দুটি কারণ থাকতে পারে।

প্রথমত, অনেক ছেলেই আছেন যারা এভাবে মেয়েদের বুকের দিকে তাকিয়ে কথা বলেন। তারা আসলে কোনো উদ্দেশ্যপ্রবণ হয়ে তাকিয়ে থাকেন না। তাদের স্বভাবগত বৈশিষ্ট্যই এটা। দেখা যায় যে তারা কথা বলছেন ঠিকই কিন্তু তাকাচ্ছেন বুকের দিকে। আমরা অনেকেই যেমন কথা বলার সময়ে আকাশের দিকে বা অন্য কোনো দিকে তাকিয়ে থাকি তেমনি তারাও উদ্দেশ্য ছাড়াই এই কাজটি করে থাকেন। যদিও মেয়েরা এতে বিব্রতবোধ করেন বলে তাদের এই অভ্যাসটি ত্যাগ করা উচিত।

দ্বিতীয়ত, কিছু ছেলেই আছে যারা অনেকটা বাজে উদ্দেশ্য নিয়েই এই কাজটা করে থাকে। তারা কথা বলার চেয়ে মেয়েদের বুকের দিকেই বেশি মনোযোগ দিয়ে থাকে। এই ধরনের ছেলেগুলোকে শায়েস্তা করা উচিত যেন এই জাতীয় কাজ তারা দ্বিতীয়বার না করে।

পোষ্টটি লিখেছেন: Md Masum

Md Masum এই ব্লগে 17 টি পোষ্ট লিখেছেন .

মন্তব্য করুন

Loading Facebook Comments ...

Leave a Reply

Close [X]