বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধনকারীদের আবেদন

১৩ তম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষার প্রস্তুতি নিবেন কি ভাবে -বিস্তারিত আলোচনা
Loading...

১৫১২১টি শূন্য পদের বিপরীতে তালিকায় এল ১২৬১৯টি, যার মধ্যে প্রার্থীর সংখ্যা ২৩৯৩ জন। একই উপজেলার একজন প্রার্থী সর্বোচ্চ ৫০ পেলেও সর্বোচ্চ নম্বর পাওয়ায় সে তার নিজ উপজেলায় যতগ্ুলো প্রতিষ্ঠানে আবেদন করেছে সে সব প্রতিষ্ঠানে নির্বাচিত হয়েছে। উপজেলায় ৪০ নম্বর পেয়ে টেনেটুনে পাস করলেও সে প্রথম হয়েছে এবং সে নির্বাচিত হয়েছে।

অথচ পাশের উপজেলা বা জেলার কোনো প্রার্থী তার থেকে দ্বিগুণ নম্বর অর্থাত্ ৭০-৮০ (বিষয়ভেদে ভিন্ন) নম্বর পাওয়ার পরও কোনো প্রতিষ্ঠানে নির্বাচিত হয়নি। এমনও দেখা যায়, এক প্রার্থী ৪,৬,৮ ও ১০টা প্রতিষ্ঠানে নির্বাচিত হয়েছেন। দ্বিতীয়, তৃতীয় বা চতুর্থ অপেক্ষমাণ মেধাতালিকারও সুনির্দিষ্ট কোনো ধারণা স্পষ্ট হয়নি। নির্ধারিত সময়ও উল্লেখ করা হয়নি। এছাড়া পরিপত্রে মহিলা কোটা উল্লেখ থাকলেও মহিলা কোটার আসনে পুরুষকে নির্বাচন করা হয়েছে।

এ অবস্থায়, নিবন্ধনকারীদের আবেদন—১. উপজেলা কোটা বাতিল করে প্রতিষ্ঠানভিত্তিক মেধা তালিকায় প্রকৃত মেধাবীদের খুঁজে বের করে নিয়োগের ব্যবস্থা করা হোক। ২. নিবন্ধনকারীদের প্যানেল করে পর্যায়ক্রমে নিয়োগ দেওয়া হোক। তা যদি সম্ভব না হয়, তাহলে যে সব উপজেলার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো শূন্য পদের তালিকা NTRCA-কে দেয়নি সেগুলোর বাধ্যতামূলক চাহিদা নিয়ে ঐসব উপজেলার নিবন্ধনকারীদের স্ব স্ব উপজেলায় নিয়োগের লক্ষ্যে (পরিপত্র অনুযায়ী) শুধুমাত্র তাঁদের কাছ থেকে আবেদন গ্রহণ করা হোক।

তাঁদের নিয়োগও সদ্য ঘোষিত নির্বাচিত প্রার্থীদের সঙ্গেই দিতে হবে। এতে যেমন প্রকৃত মেধাবীদের নিয়োগের ব্যবস্থা হবে তেমনি বেকার সমস্যারও সমাধান হবে। এ ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।
মো. খলিল শেখ (রাহাত)
১২১ দক্ষিণ কমলাপুর, ঢাকা ১২১৭

পোষ্টটি লিখেছেন: বিশ্ব বিবেক

বিশ্ব বিবেক এই ব্লগে 3304 টি পোষ্ট লিখেছেন .

Loading...
পোস্টটি ভাল লাগলে লাইক দিন